আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, গ্রেফতার দীপু শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি গোপনে অস্ত্র কেনাবেচা চালিয়ে আসছিলেন।
আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দীপুর বাসায় হানা দেয় যৌথ বাহিনী। সেখানে পাওয়া যায় ৭টি পিস্তল, ৩টি রিভলবার, ১টি রাইফেল, ২টি এয়ারগান, বিপুল পরিমাণ গুলি, ম্যাগাজিন, ওয়াকিটকি, দেশি-বিদেশি ধারালো অস্ত্র, দূরবীন ও একটি ল্যাপটপ। ঘটনাস্থল থেকেই দীপুকে আটক করা হয়।
পরে অস্ত্র আইনে বাড্ডা থানায় মামলা হয়। শনিবার তাকে আদালতে হাজির করলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় দীপুর পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, দীপুসহ অজ্ঞাত সহযোগীদের মাধ্যমে বাড্ডা–ভাটারা এলাকাসহ মহানগরের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল অবৈধ অস্ত্রের রমরমা বাণিজ্য।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো ভাড়ায় দেওয়া হতো কিংবা বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে সরবরাহ করা হতো কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, গত বছরের মে মাসে কুষ্টিয়ায় সুব্রত বাইন গ্রেফতার হওয়ার পর রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, বাড্ডা, ভাটারা, বারিধারা ও গুলশান এলাকায় তার হয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতেন দীপু। মাছের আড়ত, গাড়ির শোরুম, পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বাড্ডা থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) আজহারুল ইসলাম বলেন, অস্ত্রের উৎস ও নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতে দীপুকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
0 মন্তব্যসমূহ