পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, এই অভিযানে প্রায় ৫০০ তালেবান সদস্য আহত হয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় তালেবানের ১০৪টি সামরিক চৌকি ধ্বংস হয়েছে এবং ২২টি সীমান্ত পোস্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিমান হামলার মাধ্যমে ৩৭টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে এবং ১৬৩টি ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করার দাবি করেছে ইসলামাবাদ।
অন্যদিকে পাল্টা দাবি করেছে আফগানিস্তান। দেশটির সামরিক ও পুলিশ বাহিনী জানিয়েছে, জালালাবাদ শহরের আকাশে পাকিস্তানের একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে এবং এর পাইলটকে আটক করা হয়েছে। তবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
শুক্রবার পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘উন্মুক্ত যুদ্ধ’ ঘোষণা করার পর থেকে দুই দেশের সীমান্তে বিমান হামলা, গোলাগুলি ও সামরিক অভিযান আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। এতে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সংস্থাটির পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
ইইউ একইসঙ্গে তালেবান কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে, আফগানিস্তানের ভূখণ্ড যেন কোনো দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
0 মন্তব্যসমূহ