সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে তাতেও সন্তুষ্ট না হয়ে ট্রাম্প এক ব্রিফিংয়ে ইরানের জনগণকে সরাসরি রাস্তায় নেমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের সহায়তায় হামলা চালাচ্ছি—এখন আপনারা এগিয়ে আসুন এবং ক্ষমতা গ্রহণ করুন।”
কিন্তু বাস্তবে তার আহ্বানে সাড়া মেলেনি। কোনো বিদ্রোহ বা ক্ষমতা দখলের চেষ্টা দেখা যায়নি। বরং রাজধানী তেহরান-সহ বিভিন্ন শহরে বিপরীত দৃশ্য ফুটে ওঠে।
হাজারো মানুষ হাতে তুলে নেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর ছবি। তারা রাজপথে মিছিল করে তার প্রতি সমর্থন জানান এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে জোরালো স্লোগান দেন। এই বিক্ষোভ যেন স্পষ্ট বার্তা দেয়—বাইরের চাপ নয়, নিজেদের নেতৃত্বের প্রতিই আস্থা রাখছে দেশের একটি বড় অংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাপ্রবাহ ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জাতীয়তাবোধের শক্ত অবস্থানকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: Al Jazeera
0 মন্তব্যসমূহ